গ্রেটা থুনবার্গ - পৃথিবীর কন্যা | Greta Thunberg - Daughter of the Earth |
গ্রেটা থুনবার্গ - পৃথিবীর কন্যা | Greta Thunberg - Daughter of the Earth |
"পৃথিবী জেগে উঠেছে এবং পরিবর্তন আসবেই আপনার ভাল লাগুক আর নাই লাগুক" ,গ্রেটা থানবার্গ
গ্রেটা থানবার্গ 2003 সালের 3 জানুয়ারি সুইডেনের স্টকহোমে জন্মগ্রহণ করেন। আট বছর বয়সে প্রথম জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে পারেন. পর পরই তিনি পরিবারের সবার কাছে কার্বন নির্গমনের জন্য দায়ী কাজ থেকে বিরত থাকার দাবি জানান এবং 2018 সালের আগস্টে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। জলবায়ু পরিবর্তন রোধে জরুরি পদক্ষেপ এর দাবিতে সুইডিশ পার্লামেন্টের সামনে একাই প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে যান..শীঘ্রই স্টকহোমের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তার সাথে যোগ দিতে থাকে তারা সম্মিলিতভাবে শুক্রবার কে ঘোষণা করে"ফ্রাইডে ফর ফিউচার" হিসেবে।
শিক্ষার্থীদের জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলন এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে । গ্রেটা থানবার্গ বলে আমাদের দেশের মতো ধনী দেশগুলোর ভোগবিলাসের জন্য পৃথিবীটা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে. স্যাটেলাইটের গত 50 বছরের ছবি প্রমাণ দিচ্ছে,সবচেয়ে বেশি বন উজার উন্নত দেশগুলোতে হয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নির্গমনের জন্য দায়ী উন্নত দেশগুলো। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করছে দরিদ্র দেশের মানুষজন। কিন্তু আমি অপ্রিয় হওয়ার ভয় পাই না আমার কাছে ক্লাইমেট জাস্টিস মুখ্য। জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে সামুদ্রিক বন্যপ্রাণীদের উপর।.বিজ্ঞানীরা বলছেন আমরা পৃথিবীর 6 তম মহা বিলুপ্তির মুখোমুখি।বাস্তুতন্ত্র গুলো ভেঙে পড়ছে আমরা এখন গণবিলুপ্তির মুখোমুখি,প্রতিদিন গড়ে প্রায় 200 প্রজাতি পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নিচ্ছে,এই হার স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক হাজার গুণ বেশি.যদি এভাবে প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটতে থাকে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব চরম আকার ধারণ করে বাস্তু তন্ত্র গুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে.।এরপর আমরা টিকে থাকতে পারব তো? গত আগস্টে গ্রেট সম্পূর্ণ নবায়নযোগ্য শক্তি চালিত ইয়টে নিউইয়র্ক পারি জমান। কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় আনতে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ব্যক্তিগত উদ্যোগ গুলোর একটি।গ্রেটা থুনবার্গ আরো বলে "30 বছর ধরে বিজ্ঞানীদের কাছে বিষয়টি একদম পরিষ্কার.
'হাউ ডেয়ার ইউ '
আপনারা দেখেও না দেখার ভান করছেন?


informative
ReplyDelete